সংবাদ শিরোনামঃ

গাজীপুর জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ না পেয়ে সড়কে এলাকাবাসীর বাঁশের খুঁটি মোঃনাছির উদ্দিন …

গাজীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ গাজীপুর

শহর হয়ে হায়দরাবাদ থেকে টঙ্গীর বনমালা এলাকায় যাওয়ার জন্য রেলওয়ের জমির ওপর দিয়ে একটি সড়ক ছিল। এক বছর আগে ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য রাস্তা বন্ধ করে জায়গাটি নিয়ে নেয় রেলওয়ে। এতে গাজীপুরের হয়দারাবাদ ও টঙ্গীর বনমালা এলাকার শত শত বাসিন্দা বিপাকে পড়ে যায়। পায়ে হেঁটে যেতে পারলেও কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারেনি। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় ৬-৭ মাস আগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই এবং জমির মালিকদের অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ৪০ ফুট প্রশস্ত একটি রাস্তা নির্মাণ করে ইটের সলিং করে। ওই সময় এলাকাবাসী বাধা সৃষ্টি করলে মেয়র জাহাঙ্গীর আলম তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু প্রায় তিন–চার মাস হয়ে গেলেও তাঁরা কয়েক দফা মেয়রের কাছে ঘুরেও সেই ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি। অবশেষে ক্ষতিপূরণের দাবিতে ২৩/১১/২০২১ তারিখ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বনমালা রোডে এলাকাবাসী জড়ো হন। তাঁরা রাস্তার একটি অংশে বাঁশ পুঁতে দিয়ে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন এবং বিক্ষোভ করতে থাকেন। খবর পেয়ে বেলা দুইটার দিকে গাজীপুরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থান্দার কামরুজ্জামান ও গাজীপুর মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার হাসিবুল আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকবাসীকে বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নেন।স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা মিয়া বলেন, মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের তত্ত্বাবধায়নে বনমালা রাস্তাটি গত জুন মাসে গাজীপুরের সঙ্গে টঙ্গীর সড়ক যোগাযোগ রক্ষার জন্য নির্মাণ করা হয়। তবে সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে ভূমি অধিগ্রহণের কোনো নিয়মকানুন মানা হয়নি। অনেক পরিবারের ভিটেমাটি সড়কে চলে যায়। মোস্তফা মিয়া বলেন, রাস্তার জন্য তাঁর তিন কাঠা জমি নেওয়া হয়। তাঁরা জমির কাগজপত্রও নেয়। এই জমির মূল্য ৯০ লাখ টাকা। কিন্তু মেয়র দিয়েছেন মাত্র এক লাখ টাকা। এখন মেয়র যদি পদ হারান, তবে কে দেবে ক্ষতিপূরণ! এ জন্য নিজেদের জায়গা দখল করে নিয়েছেন। বনমালা এলাকার জাহানারা বেগম বলেন, সড়ক নির্মাণে তাঁর ৫০ ফুট জায়গা হাতছাড়া হয়ে যায়। এতে প্রায় ১০টি কক্ষ ভাঙা পড়ে। এখন মেরামতও করা যাচ্ছে না। তাই অন্যের বাড়িতে নিজেই ভাড়া থাকেন।নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার হাসিবুল আলম বলেন, এলাকাবাসী জমির ক্ষতিপূরণের জন্য রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাঁদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, লিখিতভাবে বিষয়টি সিটি মেয়র ও জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করতে

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*