সংবাদ শিরোনামঃ

মহিলা মাদ্রাসায় শিক্ষিকার হাতে পিটানোর খরব (৯৯৯) পেয়ে গফরগাঁও থানার পুলিশ এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।

 এস.এম-মীযানুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার

ময়মনসিংহ গফরগাঁও মাদ্রাসায় পিটানোর (৯৯৯) ফোনে খরব পেয়ে গফরগাঁও থানার পুলিশ এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেন। গফরগাঁও গড়াবের জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া দারুলউলুম মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানায় মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষিকা মোছাঃ- সানজিদা আক্তার (৩৩) ও তার পিতাঃ- মাওঃ মোঃ- আশাদুজ্জামান অত্র মাদ্রাসার পরিচালকের হাত থেকে মোছা নাফিজা আক্তার (১৪)কে পুলিশ উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেয়। উদ্ধার করা ছাত্রীর পরিচয় নাম-মোছা নাফিজা আক্তার (১৪) পিতা নরজরুল ইসলাম স্থায়ী ঠিকানা – সাং ভাটিপাড়া বেপাড়ীপাড়া, বর্তমান ঠিকানা -সাং শিলাশী ইমামবাড়ী মসজিদ সংলগ্ন বাসা,থানা-গফরগাঁও, জেলা-ময়মমনসিংহ। এদিকে মেয়ের বাবা মোঃ- নজরুল ইসলাম তিনি ন্যাশনাল ক্রাইম অবজারভেশন এন্ড লিগ্যাল এইড সোসাইটি (জাতীয় অপরাধ পর্যবেক্ষণ দুর্নীতি বিরোধী ও আইনী সহায়তা সংস্থার)কর্মকর্তা কে তিনি জানান,আমার মেয়ে মোছাঃ- নাফিজা আক্তার (১৪)কে গফরগাঁও গড়াবের মাওঃ-মোঃ আসাদুজ্জামানের পরিচালিত জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া দারুলউলুম মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানায় মহিলা মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। আমার মেয়ে পরিক্ষার পড় গত ২৩-০৯-২১ইং তারিখ হইতে পরবর্তী ০১-১০-২১ইং তারিখ পর্যন্ত (এক সাপ্তাহ) মাদ্রাসা বন্ধ থাকার পড়েও অতিরিক্ত দুইদিন বেশী ছুটি কাটিয়ে বাসায় থাকার কারণে গত -০৪-১০-২১ইং তারিখ সকাল বেলা আমার স্ত্রী মেয়েকে নিয়ে অত্র মাদ্রাসার সুপারের নিকটে বুঝিয়ে দিয়ে আসে। আমার স্ত্রী চলিয়া আসার পড় গত-০৪-১০-২১ইং তারিখ সকাল ১১ ঘটিকায় সময় বিবাদী ১- মোছাঃ- সানজিদা আক্তার (৩৩) পিতাঃ- মাওঃ মোঃ- আশাদুজ্জামান সাংঃ-গড়াবের থানা – গফরগাঁও, জেলা-ময়মনসিংহ আমার মেয়েকে দুই দিনের ছুটির অযুহাত দেখিয়া -১০০টাকা জরিমানা করেন। তখন আমার মেয়ে জরিমানা-১০০ টাকা দুইদিন পড়ে দিবে বলে জানাইলে বিবাদী আমার মেয়েকে অফিস কক্ষে ডাকিয়া নিয়া বেতের লাঠি দিয়ে হাত,পায়ে পিঠে পাছায় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ফুলা রক্ত জমাট বেদনা দায়ক যখম করে।

 

আমার মেয়ে মাদ্রাসায় থাকা অবস্থায় আমি বিবাদী অত্র প্রতিষ্টানের মেডামের অফিসের মোবাইলে ফোন দিয়ে মেয়ের সাথে যোগাযোগ করিতে চাইলে বিবাদী মেয়েকে আমার সাথে দেখা করিতে বাধা প্রধান করেন। তখনি আমার সন্দেহ হইলে আমি গত- ১৪-১০- ২০২১ইং তারিখ অনুমানিক দুপুর ৩.০০ ঘটিকার সময় মেয়ের সাথে মাদ্রাসায় দেখা করিতে চাইলে বিবাদী মেয়েকে আমার সাথে দেখা করিতে বাধা প্রধান করেন। তখন আমি কিছু সংখ্যক সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিবাদীকে বেতদিয়ে পিটানোর কথা জিজ্ঞাসাবাদ করিলে বিবাদীরা আমাকে হুমকি দেয়, আমার মেয়েকে দিয়া যদি কোন মামলা মোকদ্দমা করি তাহলে মেয়েকে মাদ্রাসা হইতে বাহির করিয়া দিবে এবং আমাকে বলে লিখিত দিয়ে তারপর মেয়েকে নিতে হবে। তখন আমি তাদের সাথে না পেরে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিয়ে বিষয়টি অবগত করি। তখন গফরগাঁও থানা থেকে একজন এসআই তিনজন পুরুষ কনস্টেবল ও এক জন মহিলা কনস্টেবল গিয়ে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে আমার হাতে তুলে দেয়। এ বিষয়টি নিয়ে আমার পরিবারের লোকদের সবার সাথে কথা বলে আমি আজ ১৭-১০-২১ইং তারিখে সকালে গফরগাঁও উপজেলা নিবার্হী অফিসার বরাবর ন্যায় বিচারের জন্য লিখিত আবেদন করি যা অভিযোগ নং-৬০৩। উল্লেখিত ঘটনাটি উপজেলা নিবার্হী অফিসার তাইজুল ইসলাম শুনার সাথে সাথে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও গফরগাঁও থানা ওসিকে ফোনে বিষয়টি অবগত করে বলে তাৎক্ষণিক কঠোরভাবে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*