সংবাদ শিরোনামঃ

সহায়হীন পরিবারের অন্ধ ছেলেটির দিকে সাহায্যের হাত বাড়ান।

সিটিজি ক্রাইম রিপোর্ট’:

গত বছর এই রমজান,রোজার মাসে ছবি দিয়ে পত্রিকায় লিখা হয়েছিলো সহায়হীন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী অন্ধ ছেলেটির জন্য সাহার্যের হাত বাড়াতে। সেই লেখায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এবং বিদেশ থেকে ও দরদী কয়েকজন ভাই/বন্ধু যার তাহফিকে যাহা কুলিয়েছে তাহা দিয়ে অন্ধ ছেলেটির দিকে সাহার্য়ের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। যাহা পরকালের জন্য জমা হয়েছে যে দিয়েছেন তার এবং তার মা-বাবা সহ পরিবারের অন্যান্যদের জন্য। দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে এবার কিন্তু অনেকেই আর্থীক কষ্টে ও রয়েছেন। তার পর ও যে, যে ভাবে পারেন অন্তত: ঈদের সময় অসহায়-দরীদ্র পরিবার গুলোর দিকে সাহার্যের যে হাত বাড়িয়ে দিবেন তা নিদ্ধিধায বলা যায়। আর সে নীরিখে অন্ধ ছেলেটির অভাবী আকুতি এবং অন্যান্য ক’জনের অনুরোধে শেষোতক গত বছরের মতো আবারো তাকে নিয়ে নিউজ করতে হলো। অন্যান্যদের মতো এ প্রতিবেদকের ও ব্যাক্তিগত পরিচয়ের মধ্যে অতি ধনী, ধনী থেকে গরীব পর্যন্ত অনেকেই রয়েছেন যারা উদার হস্তে যে কোনো অসহায়-দরীদ্র পরিবারের জন্য সাহার্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন। সে নীরিখে সবার উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে যে, ইহ জীবনে হয়তো বা অনেকে অনেক টাকা-ই দেখেছেন বা খরচ ও করেছেন কিন্তু পর জীবনের জন্য হয়তো বা কিছু করার বিষয়ে তেমন একটা খেয়াল ও দেন্ নি! তাতে সময় কিন্তু এখনো ফুরিয়ে যায়নি। ইচ্ছে করলে পরকালের কথা চিন্তা করে সহায়হীন পরিবারগুলোর দিকে যার যার সামর্থ্যানুযায়ি সাহার্য সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন। মনে রাখতে হবে যে, যে কোনো অসহায় পরিবার গুলোকে সাহার্য করলে সে সাহার্য বৃথা যায় না বা যাবে ও না। যে যাহা সাহার্য করবেন তাহা পরকালের জন্য জমা হবে যে, আল্লাহ্ রাব্বুল আল আমীন প্রদত্ব সে কথাটি টি বিভিন্ন আলেম ওলামায়ে কেরামগনের ভাষায় ও উচ্চারিত হতে শুনেছেন অনেকে-ই। এ প্রতিবেদনের আলোচ্য বিষয়টি হচ্ছে- একটি অসহায় পরিবারের জন্য সাহার্যের হাত বাড়ানোর কথা। যে পরিবারটির একমাত্র উপার্জন করার ছেলেটির ২টি চোখ-ই অন্ধ। সেই ছোট বেলায় বাবাকে হারীয়েছে সে। ঘরে রয়েছেন একমাত্র মা। ২ বোন ১ ভাই এর মধ্যে সে দ্বিতীয়। বড় বোনটি কে কোনোমতে মানুষদের সাহার্য-সহযোগীতায় বিয়ে দেয়া হয়েছে। বাকী যে বোনটি রয়েছে সে বোনটি অভাবের তাড়নায় পরের বাড়িতে কাজ করে থাকে। মা এর অবস্থা ও তেমন একটা ভালা নেই। আজ আছে কাল নেই সেই অবস্থাতেই রয়েছে। গত বছর যে লেখাটি লিখা হয়েছিলো সেই লেখার সাথে ছবি ও দেযা হয়েছিলো। হয়তো বা তা দেখেছেন ও অনেকে। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ ১বছরের ও বেশী সময় ধরে খাদ্যনালি জ্যাম (ভরাট) হয়ে যাওয়ায় ভাত সহ সেই জাতীয় কোনো কিছু-ই খেতে (গিলতে) পারেনা। বিভিন্ন ফল-ফ্রুটের রস্ বা সেই জাতীয় খাদ্য গুলো যৎ সামান্য খেতে পারলে ও এতো টাকা পাবে কোথায় তারা ? ফলে- প্রয়োজনিয় ও পরিমান মতো খাদ্যের অভাবে দিন দিন কংকালসার হয়ে যাচ্ছে তা মা। নিজের চিন্তা না করে সার্বক্ষণিক মা এর চিন্তায় মগ্ন থাকে ওই অন্ধ ফজলুল করিম ছেলেটি। ছেলেটি অন্ধ হলে ও কিন্তু কারো কাছে দু’হাত পেতে ভিক্ষা চায়না। দয়া পরবশ: হয়ে যে যাহা দেয তাহা-ই হাত পেতে নেয় সে। আর তা দিয়ে কোনো রকম মা কে নিয়ে চলে যাচ্ছে তার দিন-রজনী। কিন্তু, এ ভাবে চলতে চলতে আগামী দিনে কি হবে তার বা তার মা এবং বোনের সে চিন্তা তার কাছে অভাবের কারনে ধামাচাপা দিয়ে রাখলে ও কিন্তু দয়াপরবশ: দশ ভাই-বন্ধুরা একটু চিন্তা করে পারলে সহযোগীতার হাত বাড়াতে পারেন। ছেলেটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী ফরেজগার বিধায়-ই সবাই তাকে শ্নেহ করেন এবং যার যাহা সাধ্যে কুলায় তাহা দিয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন। ছেলেটির সাথে যোগাযোগ এর ঠিকানা: মোঃ ফজলুল করিম (অন্ধ), পিতা-মৃত আবুল কাশেম প্রকাশ লাতু মিয়া, গ্রাম: দক্ষিণ আজম নগর (চিনকীরহাট বাজারের পশ্বি পাশ্বের মসজিদের দক্ষিণ পাশের বাড়ি), ইউনিয়ন: ২নং হিঙ্গুলী, থানা: জোরারগঞ্জ, উপজেলা: মীরসরাই, জেলা: চট্টগ্রাম। মোবাইল: ০১৮৭৯-৩০১৫১৪ (বিকাশ-পার্সোনাল নিজের) এ ছাড়া- যারা সাহার্য করতে চান্ তারা নিজে অথবা লোক মারফতে ও তার হাতে ও দিয়ে যেতে পারেন। একজন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী হিসেবে প্রতি ওয়াক্তে সে চিনকীরহাট বাজারের পশ্বিম পাশের সেই শেখ বাহার উল্যাহ্ জামে মসজিদে উপস্থিত থেকে নামাজ আদায় করে থাকে। প্রয়োজনে এর সত্যতা উক্ত মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জ্বিনের কাছ থেকে ও জেনে নেয়া যাবে। প্রিয় মানিক ভাই যদি পারেন তো ব্যাক্তিগত ভাবে নিজে উক্ত অন্ধ ছেলেটির পরিবারের জন্য কিছু সাহার্য পাঠাতে পারেনকী না দেখবেন। আর আমার সাজানো নিউজটি আপনার পত্রিকায় ও দিতে পারেন।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*