সংবাদ শিরোনামঃ

২০০০ হাজার বছরের পুরনো মমির রহস্য

১৯৭২ সালে একদল চীন শ্রমিক সম্ভাব্য বিমান হামলা থেকে বাঁচতে মাটি খুঁড়ে সন্ধান পান জিং হুইকে। চীনে আবিস্কৃত ২০০০ বছরের পুরনো মমিটি আজও বিশ্বের অন্যতম রহস্য।

চীনের স্বর্ণযুগ থান রাজবংশের রাজত্বকালে চাংসা সাম্রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী লি ক্যানের স্ত্রী ছিলেন জিন হুই। বহু মূল্যবান পোশাক ও বাদ্যযন্ত্র দিয়ে ঘেরা ছিল হুই’র সমাধিস্থল। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে প্রত্নতত্ববিধদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে হুই এর মৃতদেহ। কারণ, তার মৃত দেহটি দেখে মনে হয়েছিল যে কিছুদিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হুই এর মাথার চুল ও চোখের পাতা প্রায় নিঁখুত ছিল। শিরায় রক্তও ছিল। মাটি থেকে প্রায় ১২ মিটার নিচে বায়ুশূন্য একটি স্থানে রাখা হয়েছিল মৃত দেহটি। চার স্তরের কফিনের মধ্যে আবদ্ধ দেহটি বিশেষ ধরনের রেশমের কাপড় দিয়ে পেঁচানো ছিল। মৃতদেহটি ৮০ লিটারের একটি তরল পদার্থের মধ্যে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল। এই তরলের মধ্যে সামান্য ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া গেলেও এই তরলটি মূলত কি সেটার রহস্য জানা যায়নি।

এমনভাবে হুই এর দেহটি রাখা হয়েছিল যেন বাইরে থেকে কোনো কিছু ভেতরে অথবা ভেতর থেকে কোনো কিছু বাইরে বের হতে না পারে। এই বিশেষ ব্যবস্থার কারণেই মৃতদেহটি এতো বছর সুরক্ষিত ছিল বলে মনে করছেন বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞরা।

হুই এর মৃত দেহটিকে মমি বলেই বিবেচনা করা হয়। তবে এর সংরক্ষণ রীতি মিশরীয়দের চেয়ে আলাদা। সে কারণেই এই সংরকণ পদ্ধতির বিস্তারিত আবিস্কার করা এখনো সম্ভব হয়নি।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*