সংবাদ শিরোনামঃ

দোহাজারীতে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে রেললাইনে গরুর বাজার

এসএম ওমর ফারুক চন্দনাইশ প্রতিনিধি

এবার চন্দনাইশের দোহাজারী পৌরসভার রেললাইনে বসেছে বিশাল গরুর বাজার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ, খেলার মাঠ, রেললাইন, সড়ক-মহাসড়কের পাশে ইত্যাদি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসানো যাবে না মর্মে উপজেলা প্রশাসন থেকে নির্দেশনা দেওয়া হলেও আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দোহাজারী পৌরসভা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রেললাইনেই বসে এই বিশাল বাজার। দুপুরের পর থেকেই গৃহস্থরা বিভিন্ন এলাকা থেকে বাজারে নিয়ে আসে গৃহপালিত গরু, মহিষ, ছাগল। বিকেল ৩টার মধ্যেই পুরো রেলওয়ে স্টেশন এলাকা কানায় কানায় পুর্ণ হয়ে উঠে। বিকেলে গরুর বাজার পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে গরু, মহিষ, ছাগল বেচা-বিক্রি চলছে। নির্দেশনা থাকার পরও হাটের প্রবেশমুখে লাগানো হয়নি তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র, চোখে পড়েনি হাত ধোয়ার ব্যবস্থাও। মুখে মাস্ক পরে বাজারে আসার জন্য আগের দিন থেকে মাইকিং করা হলেও ক্রেতা-বিক্রেতা কারো মুখে মাস্ক ছিল না। বিকেল ৪টার দিকে ফার্নেস অয়েলবাহী বেশ কয়েকটি ওয়াগন নিয়ে একটি রেল ইঞ্জিন দোহাজারী স্টেশনে আসলে কিছুটা ভোগান্তি হয়। তবে কোনো রকম দুর্ঘটনা ঘটেনি। এদিকে প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া উপজেলার ধোপাছড়ি চেমিরমুখ এলাকায় গত ২৪ ও ২৭ জুলাই ২ দফায় গরুর বাজার বসিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। স্থানীয় ইউপি সদস্য বিকাশ বড়ুয়া গরুর বাজার থেকে উত্তোলিত হাসিলের টাকা চেমিরমুখ জামে মসজিদ ফান্ডে জমা করার উদ্দেশ্যে বাজার বসানোর আয়োজন করা হচ্ছে জানালেও চেমিরমুখ জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির জানালেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, “এ গরুর বাজার বসানোর সাথে মসজিদের কোনো সম্পর্ক নেই। অতীতেও মসজিদের নাম ভাঙিয়ে বহুবার গরুর বাজার বসানো হয়েছে কিন্তু মসজিদ ফান্ডে কোনো সময় টাকা জমা করা হয়নি।” এভাবে সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে বার বার গরুর বাজার বসানো সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে করোনা আতংক।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*