সংবাদ শিরোনামঃ

কলারোয়া পৌরসভায় নিজস্ব ভোটার না হলে মিলছে না ত্রাণ সামগ্রী


নাজমুল হাসান সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি
মহামারী করোনাভাইরাসের প্রকোপের পর থেকে স্থবির হয়ে পড়েছে সাতক্ষীরা কলারোয়া পৌরসভার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। এর সঙ্গে অসহায় হয়ে পড়েছে দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। গচ্ছিত তহবিল শেষ হতেই পরিবারে শুরু হয়েছে আর্থিক অনটন। ইতিমধ্যে দরিদ্র শ্রেণির মানুষগুলো তিন বেলার পরিবতর্তে দুই বা একবেলা আহার করতে শুরু করেছেন। নিম্ন মধ্যবিত্তরা অন্যের কাছে হাত পাততে না পেরে পড়েছেন উভয় সংকটে। আপদকালীন সংকট সামাল দিতে সরকার ও শাসক দলের ত্রাণ বিতরণের নির্দেশনা থাকলেও মাঠে নেই অধিকাংশ জনপ্রতিনিধি। এরই মধ্যে অভিযোগ উঠেছে, যতটুকু দান-ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে তার সবই মুখ দেখে। করোনার ভয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় প্রায় সব কিছু বন্ধ হয়ে গেছে। জনমানব শূন্য হয়ে পড়েছে হাট-বাজার। রিকশা, ইজিবাইক চলাচলও একেবারে সীমিত। বন্ধ হয়ে গেছে চা সহ অন্য দোকানপাট। সাতক্ষীরা কলারোয়া পৌরসভায় একজন ভারপ্রাপ্ত মেয়র, ৯ জন কাউন্সিলর, তারা সবাই জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হলেও হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া তারা কেউ করোনা সংকটের সময় মাঠে নেই। দেশব্যাপী ভাইরাস আতঙ্কের পর থেকে অনেকের হদিসও পাওয়া যাচ্ছে না। এসব নিয়ে সাধরণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সাতক্ষীরা কলারোয়া পৌরসভা ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শুরু করেছে। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন কর্মসূচি আকারে খাদ্য বিরতণ করেছে। কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিজ ও ব্যক্তি উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে। কলারোয়া পৌরসভা তাদের জন প্রতিনিধিদের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু করেছে। কিন্তু তুলসী ডাঙ্গা ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের অভিযোগ এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে স্বজনপ্রীতি ও মুখ চিনে চিনে। যারা ওই জনপ্রতিনিধির কাছের লোক, তারাই নামের তালিকা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নিয়ে আসছে খাদ্য সামগ্রী। তার ভোটার, নিকটতম লোক না হলে মিলছে না ত্রাণ । এবং আরো বলেন আমরা আজ অসহায় আমাদের দেখার কেউ নাই।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*