সংবাদ শিরোনামঃ

করোনা ভাইরাস নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নাই।

ইফতেকার নুর তিশন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট কোভিড-১৯ রোগের প্রতিষেধক আবিস্কার করেছেন মার্কিন গবেষকরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমন ভ্যাকসিন তৈরির জন্য লম্বা সময় চাইলেও তার মধ্যে আবিষ্কৃত ওষুধ প্রয়োগ করে করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ করেছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা। গত ১৫ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। তবে তার চিকিৎসা শুরু হয় স্নোহোমিশ হেলথ ডিস্ট্রিক্টে। ওই হাসপাতালে অ্যাডিসন এবং উইলকারসনসহ কয়েকজন দক্ষ ডাক্তারকে নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়। এরপর থেকে এর প্রতিষেধক নিয়ে কাজ শুরু করেন সেখানকার গবেষকরা। রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের চিকিৎসকদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করে ওই বিভাগের প্রধান যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় ওষুধ প্রশাসনের কাছ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘রেমডেসিভির’ অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ প্রয়োগের অনুমোদন পান। অনুমতি পাওয়ার পর তারা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে পরীক্ষামূলকভাবে একটি অ্যান্টিভাইরালের ব্যবহার শুরু করে। ওষুধটি তৈরি করে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক গিলিড ফার্মাসিটিউক্যালস। ওই চিকিৎসক দলের প্রধান ছিলেন দিয়াজ নামে এক ডাক্তার। তিনি বলেন, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের অনুমোদন পাওয়ার পর তিনি যে অ্যান্টিভাইরাল ব্যবহারের অনুমোদন পান তা ওই রোগীর ওপর প্রয়োগের কয়েক দিন পর তার জ্বর কমতে শুরু করে এবং তিনি সুস্থ বোধ করেন। জানুয়ারি ৩১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ওই রোগী বাড়ি ফেরেন। মার্কিন এ চিকিৎসক বলেন, ‘এটাই করোনাভাইরাসের চিকিৎসা হিসেবে প্রথম এবং একমাত্র সফলতা হলেও এ পদ্ধতি যে কাজ করছে তা বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে।’ অন্যদিকে ফ্যাপিলাভির নামে আরেকটি অ্যান্টিভাইরাল নভেল করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছে চীন।চীনের ঝেঝিয়াং প্রদেশের সরকার ফ্যাপিলাভির অ্যান্টিভাইরালটি বাজারজাতকরণের অনুমতি দিয়েছে। করোনা ভাইরাসের এটিই প্রথম কোনো প্রতিষেধক যা দেশটির ন্যাশনাল মেডিকেল প্রোডাক্টস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনেরও অনুমোদন পেয়েছে। –চায়না ডেইলি

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*