সংবাদ শিরোনামঃ

দুর্নীতির বরপুত্র এসএম আকরাম হোসেন ও ভাতিজা সাইফার আওয়ামী লীগের ব্যানারে হয়েছেন জিরো থেকে হিরো!


সিকদার লিটন জেলা প্রতিনিধি

দুর্নীতির বরপুত্র চাচা ভাতিজা আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড এ তারা হয়েছেন শত শত কোটি টাকার মালিক ও গড়েছেন একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি গাড়ি এবং মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। তার ভিতরে উল্লেখযোগ্য ঢাকার উত্তরা থানাধীন বাউনিয়া এলাকায় একতা সুপার মার্কেটে 20-25 টি দোকান যার আনুমানিক বাজার মূল্য 50 কোটি টাকা। এছাড়াও রয়েছে ঢাকার ইস্কাটনে প্রায় 2 কোটি টাকার ফ্ল্যাট। এবং উপজেলায় ছেলে শাওনের নামে পাঁচতলা বিশাল মার্কেট সহ একাধিক দোকান যাহার মূল্য শত শত কোটি টাকা। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন নামে-বেনামে প্রচুর অর্থ সম্পদ। মাত্র 15-20 বছরে ব্যবধানে তারা হয়েছেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। শুদ্ধি অভিযানের দাগ গলে এখনো টিকে আছে এই দুর্নীতিবাজ চাচা ভাতিজা। বহুল আলোচিত-সমালোচিত অত্র এলাকার দুর্নীতিবাজ খ্যাত এসএম আকরাম শুদ্ধি অভিযানে যুবলীগের অনেক রথী মহারথী কুপোকাত হলেও তার ভাতিজা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এখনো ঠিকই এক জায়গায় হাত রেখে বাঁচিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ভাতিজা ছাইফার কে কারণ ভাতিজা তার সহযোগী। দুদুকে আছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ফাইল অথচ কোন এক অদৃশ্য কারণে সেই ফাইল এখন ধামাচাপা পড়ে আছে! প্রকাশ থাকে যে এই দুর্নীতিবাজ চাচা ভাতিজা আগের জীবনে ছিলেন জাতীয় পার্টির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত. জাতীয় পাটির রাজনীতিতে ভাটা পড়ায় সুযোগ সন্ধানী চাচা ভাতিজা পরবর্তী সময়ে তৎকালীন সময়ের আওয়ামী লীগের রাজনীতির নেতৃত্ব দানকারী নেতাদের ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন! এই আওয়ামী লীগের সাইন বোর্ডে আসার পর দলের বিভিন্ন পদ পদবী বিক্রয় টেন্ডার বাণিজ্য গ্রেফতার-বাণিজ্য হিন্দুদের জায়গা জমি দখল বাণিজ্যসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস পর্যন্ত 3000 টাকা ভাড়া দিয়ে ভোগ দখল সহ বিভিন্ন অপকর্মের মূল হোতা এই চাচা ভাতিজা একপর্যায়ে এক পরিবার কেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু করে এই এসএম আকরাম ও ভাতিজা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফার এরই ধারাবাহিকতায় বিগত উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকার প্রার্থী হওয়ার পরও তিনি পরাজিত হন! সাধারণ এক যুবকের কাছে ,, নষ্ট করেন আওয়ামী লীগের সুনাম ধ্বংস করেন আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে। কথায় আছে চাচা ভাতিজা যেখানে আপদ নাই সেখানে এই অবস্থায় চাচা এস এম আকরাম এই এলাকার সাবেক সাংসদ আবদুর রহমানের সুদৃষ্টি থাকায় তাদের আর ফিরে তাকাতে হয় নাই বা হয় না। এরই মাঝে হয়েছেন শত শত কোটি টাকার মালিক করেছেন একাধিক বহুতল ভবন ও ফ্ল্যাট বাড়ি ও গাড়ি ফরিদপুর আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গেম শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকা এই এস এম আকরাম ও ভাতিজা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফার সূর্যমুখী বাস কাউন্টারের টিকিট বিক্রয় করে একসময় কোনরকম দিন চালাতো। তৎকালীন মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুর রহমানের আস্থাভাজন থাকায় সেই সময় থেকে গড়েছেন নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী ইতিমধ্যে আতিয়ার এর ছেলে সহ অনেককেই তারা হত্যা করে ভয়ঙ্কর পরিবেশ তৈরি করেছে এই আওয়ামী লীগের ঘাটি খ্যাত উপজেলায়। এছাড়াও তাদের রয়েছে ইংল্যান্ড আমেরিকায় নিজস্ব বাড়ি কিছুদিনের ব্যবধানে তারা হয়েছেন জিরো থেকে হিরো যা আলাদিনের দৈত্য কে ও হার মানায়। এই এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় যে , তাদের নির্যাতনের অনেকেই এলাকাছাড়া অনেকেই ভয়ে কথা বলতে সাহস পায় না তাই এলাকাবাসীর দাবি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এসএম আকরাম হোসেন ও ভাতিজা সাইফারের মুঠোফোনে কল দিলে তারা রিসিভ করেনি।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*