সংবাদ শিরোনামঃ

নওগাঁর মান্দায় আপন ভাইয়ের চলাচলের রাস্তায় বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা

মাহবুবুজ্জামান সেতু,নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁর মান্দায় অাপন ভাইয়ের চলাচলের রাস্তায় বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৫ নং গনেশপুর ইউপি’র পারইল ফেরিঘাট ব্রীজের উত্তর পূর্ব কর্ণারে সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম নাসির উদ্দিনের বাড়ির পাশে। সরেজমিন পরিদর্শন এবং অভিযোগসূত্রে জানা গেছে,অভিযোগকারী পারইল গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিন সরদারের ছেলে গোলাম মোস্তফা। তিনি জানান, অামরা একই বাবার ৫ ছেলে। অামার ৪ ভাই একত্রিত হয়ে ৭ ই অক্টোবর সোমবার সকাল ৮ টার দিকে অামার বাড়ী থেকে বের হওয়ার এজমালী রাস্তায় অন্যায়ভাবে খুঁটি পুঁতে দড়ি টাঙ্গিয়ে এবং কাঁটাতারের বেড়া দেয়। খূঁটিতে দড়ি টাঙ্গানোর পর অামাকে বলে যে, এই রাস্তা দিয়ে তোকে যেনো অার চলাচল করতে না দেখি। তুই কোন রাস্তা দিয়ে চলবি, সেটা তোর ব্যাপার! এমতাবস্থায় অামি মাঠে চলে যাওয়ার পর সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে অামার স্ত্রী সাজেদা বেগম অামার ভাতিজা বউ জুলেখা বেগমের সাথে এই বিষয়ে অালাপ অালোচনা করার সময় একই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে অামার সহোদর ভাই মোসাদ্দেক হোসেন (৩৫),ওসমান গনির ছেলে অাহম্মদ অালী (২৮) এবং মেরুল্যা গ্রামের অহিদুর রহমানের স্ত্রী নাজমা বেগম (৪০) পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে অামার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। অামার স্ত্রী তাদেরকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে মোসাদ্দেক হোসেনের হুকুমে অাহম্মদ অালী ও নাজমা অামার খলার উপর এসে অামার স্ত্রীর চুলের মুটি ধরে অতর্কিতভাবে মারধর শুরু করে। এসময় অাহম্মদ অালী অামার স্ত্রীর গলা চেপে ধরে। অার নাজমা অামার স্ত্রীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারি কিল, ঘুষি ও লাথি মারিয়া কালশিরা ও বেদনাদায়ক,ফুলা,ছিলা জখম করেন। বর্তমানে ও তারা বিভিন্নভাবে হুমকি অব্যাহত রেখেছে।অামরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগতেছি। অামার স্ত্রী সাজেদা বেগমের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়েছি। অামার অাপন ভাই চলাচলের রাস্তায় বেড়া লাগানোর কারনে অামি নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারতেছিনা। অামি তদন্ত সাপেক্ষে এর সুষ্ঠ বিচার দাবি করতেছি। এব্যাপারে মান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিলো।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*