সংবাদ শিরোনামঃ

উন্নয়নের ছোঁয়া পাইনি যে সড়কটি

হাটহাজারী প্রতিনিধি-মো.সুমন হাটহাজারী উপজেলা ১১নং ইউনিয়ন ১নং ওর্য়াডের জোবরা ও ফতেপুর মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রধান এই সড়কটির বেহাল দশা এখনো কোন উন্নয়নের ছোঁয়া পাইনি এই সড়কটি। রাস্তা আছে উন্নয়ন নেই এমন একটি সড়ক এখনো পড়ে রয়েছে অযত্নে অবহেলায়। জোবরা ও ফতেপুর মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া সড়কটি শাহ আব্দুল মালেক আল কুতুবী জামে মসজিদ থেকে জোবরা স্কুল এন্ড কলেজ পর্যন্ত প্রধান এই সড়কটির বেহাল দশা তা যেন কারো চোখেই পড়ে না। যদি ও বা উন্নয়নে জোয়ারে ভাসছে দেশ তবে কোন সংস্কার করা হচ্ছে না এই সড়কটিকে কেনই বা অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে এইভাবে তা যেন দেখার কেউ নেই।
স্থানীয়দের অভিযোগে জানা যায়,দীর্ঘ দিন ধরে অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে জোবরা ও ফতেপুর মধ্যকার সড়কটি সংস্কারের কোন নামকরন নেই এই সড়কটির। সরকারী প্রশাসনের দরজায় অনেক বার কড়া নাড়লেও পাইনি তার কোন সমধান। দুই গ্রামের এলাকাবাসীর অভিযোগে বলেন জোবরা ও ফতেপুর মধ্যকার প্রধান এই সড়কটির জন্য অনেক বার বাজেট আসলেও সংস্কার করা হয়নি কোথায় যায় এই বাজেট মিলেনি তার কোন উত্তর। সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তাটির অবস্থা এতটায় খারাপ একটা এম্বুলেন্স যাতায়েতর জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কোন রোগীর যদি জুরুরী ক্রেত্রে যদি এম্বুলেন্সর প্রোয়জন হয় তাহলে অসম্ভব হয়ে পড়বে এম্বুলেন্সটির যাওয়া। তাছাড়া যদিও অগ্নিপাতের ঘঠনা ঘঠে তাহলে মুঠয় অসম্ভব ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি যাতায়াতের জন্য। রাস্তাটির মধ্য দেখা যায় কোথাও ইট নেই কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত আবার কোথাও কোথাও জমে রইছে পানি। কেউ কেউ আবার সরকারি ড্রেন দখল করে পানি যাওয়ার রাস্তটায় বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে চরম ভূগান্তিতে পড়তে হয় অনেক গুলো পরিবারকে। হালকা বর্ষনে যাতায়াতের জন্য অনুপযোগি হয়ে পড়ে এই রাস্তাটি। শুধু তাই নয় একটু বর্ষনে বন্ধ হয়ে যায় জোবরা স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া। যার কারন সরকারি ড্রেন দখল করে নিয়েছে কিছু প্রভাবশালী লোক এবং ড্রেন দখলের কারনে পানি জমে যায় রাস্তাটির উপর ফলে বন্ধ হয়ে যায় চলাচলের পথ। স্থানীয়দের আকুল আবেদন,জোবরাও ফতেপুর মধ্যকানের রাস্তাটির যেন অতি দ্রুত সংস্কার করা হয় এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানান দুই গ্রামবাসী।

 

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*