সংবাদ শিরোনামঃ

মাত্র ৯ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের শিশু!

সদ্যোজাত শিশু ছোটই হয়, কিন্তু এত ছোট যে হতে পারে তা চিকিৎসকরাও কল্পনা করতে পারেন নি।

নিউইয়র্কের ওয়েস্টচেস্টার কাউন্টিতে ব্লাইথেডেল চিলড্রেনস হাসপাতালের শিশু-বিভাগের প্রধান ডেনিস ডেভিডসন বলেন, ‘কনোর সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেঁচে থাকা সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকৃতির শিশুদের মধ্যে একজন।’

গত জুলাই মাসে মাত্র ১১ আউন্স ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করে কনোর। কনোরের আকার ছিল মানুষের হৃদপিণ্ডের সমান। আর ওজন? একটা সোডা ক্যানের থেকেও কম!

চিকিৎসকেরা বলেন, জন্ম নেওয়ার মতো আকারই ছিল না কনোরের। জন্মের পরে কনোরের বাবা নিজের এক হাতের তালুতে ধরে রাখতে পারতেন শিশুটিকে।

২৬ সপ্তাহ বয়সে একটি জরুরী সি-সেকশন জন্মের মধ্যে দিয়ে ডেলিভারি হয় কনোরের। এরপর মারিয়া ফেরারি চিলড্রেনস হাসপাতালে নবজাতকদের আইসিইউতে পাঁচ মাস রাখা হয় তাকে। পরে ব্লাইথেডেল চিলড্রেন হাসপাতালে আরও চার মাস। ওই অবস্থাতেও কনোরের বাবা জন ফ্লোরিওর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল শেষ পর্যন্ত সুস্থ ও শক্তিশালী হয়ে উঠবেই তাদের সন্তান।

এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে কনোরকে বাড়ি নিয়ে যাবার অনুমতি দেন চিকিৎসকরা। এসময় তার ওজন দাঁড়ায় ১১ পাউন্ড, যা জন্মের সময়ের ১৫ গুণ বেশি।

কনোরের মা ২৯ বছর বয়সী জ্যামি ফ্লোরিও বলেন, জন্মের সময় মাত্র নয় ইঞ্চি লম্বা ছিল কনোর। কিন্তু নিজের লড়াইয়ে জিতে গিয়েছে সে।

বাড়িতেও কনোরের কিছুদিনের জন্য একটি ফিডিং টিউব দরকার হবে। তবে ডাক্তাররা বলেছেন যে সম্ভবত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ওর সম্পূরক অক্সিজেন বন্ধ করা হবে।

কনোরের বাবা জন বলেন, ‘ভবিষ্যতে আমার আশা, ও একটি স্বাভাবিক শৈশবই পাবে।’

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*