সংবাদ শিরোনামঃ

অবশেষে জয়ের দেখা পেল বার্সেলোনা

অবশেষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠে জয়ের দেখা পেলো বার্সেলোনা। তবে মেসি-সুয়ারেজের গোলে না। লুক শ’র আত্মঘাতি গোলে, রেড ডেভিলদের ১-০ গোলে হারিয়েছে কাতালানরা। এই জয়ে চার মৌসুম পর, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেলো আর্নেস্তো ভালভার্দের দল। আর সেমিফাইনালে খেলতে হলে ম্যান ইউনাইটেডকে ফিরতি পর্বে জিততে হবে অন্তত দুই গোলের ব্যবধানে।

৮ বছর পর ইউরোপের দুই কুলীন ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-বার্সেলোনা দ্বৈরথ। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে মুখোমুখি লিওনেল মেসি- পল পগবা। ইউরোপীয় মঞ্চে বার্সেলোনার বর্নাঢ্য ইতিহাস থাকলেও, থিয়েটার অব ড্রিম যেন তাদের জন্য হাহাকারের সমার্থক। ৪ ম্যাচ খেললেও, ছিলো না জয়ের কোনো সুখস্মৃতি।

সাম্প্রতিক ফর্মে এগিয়ে থাকা বার্সা এদিনও খেলেছে নিজেদের মতই। শুরুতে ইউনাইটেড একটা সুযোগ পেলেও, কাতালানরা পালটা আক্রমণে ব্যস্ত রাখে স্বাগতিকদের।

মেসি-সুয়ারেজ-কৌতিনিয়োরা এগিয়ে যায় শুরুতেই। ১২ মিনিটে লিওনেল মেসির পাস থেকে দলকে এগিয়ে দেন লুইস সুয়ারেজ। অফসাইডের জন্য রেফারি প্রথমে গোলটি বাতিল করলেও, ভাগ্য ছিলো বার্সার পক্ষে। ভিএআরের সহায়তায় সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে পায় স্প্যানিশ লিগ চ্যাম্পিয়নরা। রিপ্লে দেখে নিশ্চিত হয়, গোলটা ছিলো লুক শ’র আত্মঘাতি।

পিছিয়ে পড়েও উদ্যম হারায়নি সোলশায়ারের দল। বল দখলে বার্সা এগিয়ে থাকলেও, ইউনাইটেড আক্রমণ করেছে অনেক। কিন্তু একটিও পূর্ণতা পায়নি। পগবা-লুকাকুরা এদিন নিজেদের ছায়ায় ঢাকা।

বিরতিতে যাবার আগেই লিড বাড়াতে পারতো বার্সা। কিন্তু এবার ডেভিড ডি হিয়াকে পরাস্ত করতে পারেন নি কৌতিনিয়ো।

সোলশায়ারের দলের আক্রমণভাগের সমন্বয় তো ছিলোই না, উলটো সুযোগগুলো তারা হেলায় হারিয়েছে। ৩৯ মিনিটে দালোর হেড পোস্ট বরাবর থাকলে, প্রথমার্ধ্বটা হাসি মুখেই শেষ করতে পারতো ইউনাইটেড।

দ্বিতীয়ার্ধ্বটা বরাবর উজ্জীবিতভাবেই শুরু করে রেড ডেভিলরা। কিন্তু কোচ সোলশায়ারের কোনো মন্ত্রই এদিন স্বাগতিক ফরোয়ার্ডদের দিয়ে গোল আদায় করতে পারেনি। মেসিকে বোতলবন্দী করে রেখেও তাই লাভ হয়নি কোনো। পগবা-রাশফোর্ডরা সমর্থকদের উপহার দিতে পারেনি ধ্রুপদী কোনো লড়াই।

আর এতেই ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৩৫ বছরের অপেক্ষা অবসান হয় বার্সেলোনার। থিয়েটার অব ড্রিমে নিজেদের ৫ম ম্যাচে এসে তারা পেলো প্রথম জয়। আর শেষ ৫ ম্যাচে ৪র্থ হার সঙ্গী করে, আবারো অস্থির সময়ের দিকেই যেনো এগুচ্ছে ম্যান ইউনাইটেড।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*