সংবাদ শিরোনামঃ

স্কুল-কলেজে ‘স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন’

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ‘স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচন ২০১৯’ এ অংশ নিয়েছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের মাঝে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সঞ্চার করতে ২০১৫ সাল থেকে স্কুল পর্যায়ে এ নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্কুল পর্যায়ে এ নির্বাচন শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক চর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে, বাড়াবে বিদ্যালয়ের প্রতি দায়িত্ববোধ-প্রত্যাশা শিক্ষকদের।স্কুলের আঙিনায় রঙিন কাগজে নানা প্রতিশ্রুতি। কোনো কোনো পোস্টারে আছে প্রার্থীর ছবিও। প্রতি শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে একজন। আর পাঁচ শ্রেণিতে নির্বাচিত পাঁচজনের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত তিনজন নির্বাচিত হবে স্টুডেন্টস কেবিনেটের সদস্য হিসেবে। এ সদস্যরা মনোনীত করবে একজন প্রধান প্রতিনিধি।

ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানে স্কুলের উন্নয়নমূলক নানা কাজের প্রতিশ্রুতি প্রার্থীদের কণ্ঠে।

প্রার্থীরা বলেন, প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো আমার কাছে সম্মানের মনে হয়। আমরা উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করবো। স্কুল লাইব্রেরিতে কী কী ধরনের বই দিলে শিক্ষার্থীদের ভালো হবে সে ধরনের বই দেবো।

লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেয় ভোটাররা। এ সময় ক্ষুদে ভোটারদের কণ্ঠে ছিল ভোট দিতে পারার আনন্দ।

ভোটাররা বলেন, এতদিন জানতাম ১৮ বছর বয়সে ভোট দিতে হয় এখন তো স্কুলেই ভোট দেওয়া যায়। আমরা আমাদের পছন্দের এবং যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবো।

নির্বাচনী তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য ছিল তথ্য বুথ। সেখানেও দায়িত্ব পালন করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ভূমিকায় সন্তুষ্ট শিক্ষকরা।

সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সাহাবুদ্দিন মোল্লা বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বিদ্যালয়ের প্রতি তাদের যে দায়িত্ববোধ এবং জাতির প্রতি যে দায়িত্ববোধ সেটার জন্য যে অনুশীলন তা এই কেবিনেট নির্বাচন থেকে তারা শিখবে।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*