সংবাদ শিরোনামঃ

বাঁশখালীতে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর লাঙ্গল প্রার্থীর গণ সংযোগ,পথ সভা ও সাক্ষাৎকার।

মুহাম্মাদ সাঈদুল ইসলাম বাঁশখালী প্রতিনিধি:

বাঁশখালীতে বিকেল ৫টায় ৭নং সরল ইউনিয়নের মিনজির তলায় পথ সভা ও ব্যাপক গণসংযোগ হয় লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। পথ সভা শেষে মিনজির তলা ও শিলকুপ ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কে গণসংযোগ শেষে জলদি মিয়ার বাজার নির্বাচনী ক্যাম্পে এসে সিটিজি ক্রাইম টিভির সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে মিলিত হন লাঙ্গন প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি সিটজি ক্রাইম টিভি কে বলেন, বাঁশখালীর প্রধান সড়কের উপরে কোন পাকা সেতু ছিলনা।রাস্তা ব্রীক সলিন ছিলনা। জলদির দক্ষিণে সব বাঁশের সাকু ছিল।কোন কাঠের ব্রীজও ছিলনা।জলদি থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত কাঠের সেতু ছিল।সেই রকম অবস্থায় আমি এমপি হওয়ার পর এই রাস্তাকে সোর্সের আওতায় নিয়ে এটাকে চাঁদপুর থেকে নাপুরা পর্যন্ত ব্রীক সলিন ও ঐসব ব্রীজ গুলোকে পাকা করে কমপ্লিট করে গিয়েছিলাম। আমি বাড়ী করেছি অন্যজন এসে রং করেছে। আমার বাড়ী বাঁশখালী না হলে কর্ণফুলী সেতু লোহার সেতু হতোনা। আমি মেয়র হওয়ার পরে ঐ কর্ণফুলী সেত আমি করেছি।সেতু হওয়ায় সাঙ্গু নদীর ফেরী দিয়েছি। ফেরি হয়েছিল বলে সাঙ্গু নদী ব্রীজ হয়েছে। ১৯৯১ সালে আমি স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচন করেছি, মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছে, যেকোন কারণে আমাকে প্রতারনা করে ৪৭৮ ভোটে ডিপিট দেখা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে মামলা করে জিতে গিয়েছিলাম।তাও দীর্ঘ দিন সময় চলে গেছে।

১৯৯৬ সালেও নির্বাচনে আসতে চেয়েছিলাম দেখলাম ভোটের পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। তাই বাঁশখালী থেকে দূরে ছিলাম। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি যেকেউ সরকার গঠন হতে পারে তখন আপনি বাঁশখালী থেকে জাতীয় পার্টির সাংসদ হলে বাঁশখালীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারবেন কি না? এ প্রশেন উত্তরে তিনি বলেন, বাঁশখালীর মানুষ আমাকে নির্বাচিত করলে যিনিই প্রধানমন্ত্রী হন সরকার দলীয় নেতা, বিরুধী দলীয় নেতা ও স্পীকার তিনজনরই আমার দিকে দৃষ্টি থাকবে।আমাকে গুরুত্ব বেশী দিবে। গন্ডামারা কয়লা বিদ্যৎ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পক্ষে-বিপক্ষে কোন কথা নাই। আমি চাইবো সমুদ্রের উপকুলীয় বাঁশখালীতে শিল্প এলাকা যতবেশি করা যায় মানুষের ততবেশি কর্মসংস্থান হবে। তবে সেই কাজটা করতে গিয়ে মানুষের ক্ষতি করাটার জন্য কোন শিল্প এলাকা আমরা চাইবোনা। প্রধান সডকের পরিবহন নৈরাজ্য ও ভাড়া বানিজ্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা বন্ধ করতে হলে তৈলার দ্বীপের সরকারি টোল নৈরাজ্য আগে বন্ধ করতে হবে। টোল উড্র করতে হবে। বাস হোক সিএনজি হোক তাদেরকে প্রতিপক্ষ মনে না করে পিতৃসূলভ শাসন করতে হবে তাহলেই পরিবহন নৈরাজ্য ও ভাড়া বানিজ্য বন্ধ হবে বলে জানান। অবশেষে তিনি আরো বলেন, আমি এমপি নির্বাচিত হলে বাঁশখালীতে প্রথমে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করবে বলেও জানান। এদিকে বাঁশখালী জলদি পৌর সভার সাবেক মেয়র শেখ ফখরুদ্দীন চৌধুরীও মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর পক্ষে সাক্ষাৎকারে কথা বলেন।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*