বোরহানউদ্দিনে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চরম অনিয়ম’র অভিযোগ।

স্টাফ রিপোর্টার:

সদ্য সমাপ্ত প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বোরহানউদ্দিনে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। পরীক্ষকদের নিয়ম বহিভূতভাবে খাতা বাড়িতে দিয়ে দেওয়া,খাতার গোপনীয় কোড ফাঁস করে দেওয়া,শিক্ষক এর সন্তানদের খাতা মূল্যায়নে অনিয়ম সহ নানা নৈরাজ্য বিরাজমান বলে জানা গেছে। ।এসব অনিয়ম এর ফলে প্রকৃত মেধাবীদের মেধার চরম অবমূল্যায়ন হবে, প্রকৃত মেধাবিরা বঞ্চিত হবে কাঙ্খিত ফলাফল থেকে এমন অভিযোগ শিক্ষক ও অভিভাবকদের। অভিযোগে কারীদের দাবী,এ প্লাস প্রাপ্তদের খাতাগুলো নির্বাহী কর্মকর্তার হেফাজতে নিয়ে পুনঃমূল্যায়ন কিংবা যাচাই করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। শিক্ষক ও অভিভাবকগন অভিযোগ করে বলেন,বিগত বছরগুলোতে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার এক উপজেলার খাতা অন্য উপজেলায় স্থানান্তরিত হতো।কিন্তু এ বছর ওই নিয়ম না থাকায় স্ব স্ব উপজেলার পরীক্ষার খাতা নিজ উপজেলার শিক্ষকগন মূল্যায়নের সুযোগে পান।আর এ সুযোগে শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের উদাসিনতা কিংবা অদৃশ্য কারণে অতি গোপনীয় কোড নম্মার ফাস করে সকলকে খুশি রাখায় ব্যস্ত এমন অভিযোগ সচেতন মহলের। । অভিযোগকারীগন জানান ,পরীক্ষা খাতার গোপনীয় কোড নির্বাহী কর্মকর্তা ও দপ্তর প্রধানের জানার কথা। এবার শিক্ষা অফিস নির্বাহী কর্মকর্তাকে এগিয়ে নিজেরাই তাদের উদ্দেশ্য পুরনে তাদের মতো করে খাতা কোডিং করেন এমন বক্তব্য ওই মহলের। যার ফলে গোপনীয় এ কোড শিক্ষদের মুখে মুখে।এ ছাড়া খাতা মূল্যায়নের সময় শিক্ষা অফিসার কিংবা তার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে গোপনীয়তা রক্ষা করে খাতা মূল্যায়ন করার কথা।এ শর্তের ব্যত্যয় ঘটিয়ে শিক্ষকগন খাতা বাড়ীতে নিয়ে যাওয়া ও গোপনীয় কোড শিক্ষকদের কাছে চলে যাওয়ায় শিক্ষকগন পারস্পারিক যোগাযোগ, ক্ষেত্র নিজেদের সন্তানদের খাতা ও স্ব স্ব স্কুলের খাতা মূল্যায়নের মাধ্যমে অনিয়মের ষোল কলা পূর্ণ করেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানান,২৭নং বান্ডিলের খাতা একটি পৌরসভার একটি স্কুলের এবং ওই বিদ্যালয়ের খাতাগুলো সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষকগন মূল্যায়ন করেন যার কোডিং সিরিয়াল ২৫১৮১৭৫ ক্রমিকের দ্বারা সূচিত। উপজেলা শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন,অনেক স্কুলের শিক্ষার্থীরা খাতায় নানা রকম চিহ্ন দিয়ে রাখেন।তাই কোড এর বিষয়টি কাকতালীয়ভাবে মিলে যেতে পারে।তিনি আরো বলেন এ প্লাস পাওয়া খাতাগুলো নির্বাহী কর্মকর্তা দেখবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:আ:কুদদূস জানান,আমি কোডিং করতে চেয়েছিলাম। শিক্ষা অফিসার নিজে দায়িত্ব নিয়ে কিভাবে কোডিং করছেন জানিনা।তবে জানি কোডিং সব শিক্ষকদের মধ্যে ফাসঁ হয়ে গেছে।সে নিজ দায়িত্বে সব কিছু করেন।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*