সংবাদ শিরোনামঃ

মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের বিশেষ অভিযানঃ

অপহরণ মামলার ভিকটিমকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার

২০১৮ইং সালের ১২ই এপ্রিল নিখোঁজ হওয়া নগরীর কাতালগঞ্জ এলাকার
”লিটল’স জুয়েল স্কুল” এর গানের শিক্ষিকা মনিকা বড়–য়া (রাধা)কে মহানগর
গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর) মোঃ মিজানুর রহমান এর
তত্ত্বাবধানে অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ কামরুজ্জামান, পিপিএম এর
নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী অফিসার পুলিশ পরিদর্শক(নিঃ) রাজেস বড়–য়া,
এসআই/শিবেন বিশ্বাস সহ সংগীয় ফোর্সদের বিশেষ অভিযানে গত ইং
০৬/১১/২০১৮ইং তারিখে ১৬.০০ ঘটিকার সময় সাতক্ষীরা থানার ভোমরা বর্ডার
থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এই সংক্রান্তে ভিকটিমের স্বামী দেবাশীষ বড়–য়া বাদী হয়ে গত ইং
২৮/০৪/২০১৮ তারিখ তার স্ত্রী মনিকা বড়–য়া রাধাকে কতিপয় অজ্ঞাতনামা
আসামীরা গত ১২/০৪/২০১৮ইং তারিখে দুপুর অনুমান ০২.১৫ ঘটিকার সময়
লালখানবাজারস্থ হাইলেবেল রোড এর বাসা হতে গানের টিউশনিতে যাওয়ার সময়
অপহরন করে বলে উল্লেখ করে মামলার এজাহার দায়ের করলে খুলশী থানার মামলা নং-৩৭,
তারিখ-২৮/০৪/২০১৮ইং ধারা-৩৬৫/৩৪ দঃ বিঃ রুজু হয়।
গত ইং ০৪/১১/২০১৮ইং তারিখ ০৮.০০ ঘটিকার সময় ভারতীয় নাগরিক কমলেশ
কুমার মল্লিক’কে ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ এলাকা হতে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ
করলে সে জানায়, ২০১৮ইং সালের ১২ই এপ্রিল কমলেশ নিজে এসে চট্টগ্রাম
থেকে মনিকা বড়–য়া রাধা’কে শ্যামলী গাড়ীতে করে প্রথমতঃ যশোর বেনাপোল
সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখান দিয়ে সে মনিকা’কে পাসপোর্ট ও ভিসা ব্যতিত
ভারতে অনুপ্রবেশ করায়। বর্তমানে মনিকা কলকাতায় তার নিজস্ব ফ্ল্যাট
সিদ্ধেশ্বরী এ্যাপার্টমেন্ট এ আছে এবং ভারতে মনিকার নামে ভারতীয় পরিচয় পত্র
সহ অন্যান্য কার্ড সৃষ্টি করে যেখানে মনিকার নতুন নাম রাখা হয় অনামিকা
মল্লিক এবং স্বামী হিসেবে কমলেশ মল্লিক উল্লেখ আছে। ভিকটিমকে বিয়ে

করেছে কিনা জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, ধর্মীয় ভাবে মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করলেও
কোথাও কোন রেজিষ্ট্রি করা হয় নাই। তখন উক্ত ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য ডিবি
টীম সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা বর্ডার এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন কলা-কৌশলের
মাধ্যমে গত ইং ০৬/১১/২০১৮ইং তারিখ ১৬.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিমকে বর্ডার
এলাকায় নিয়ে এসে উদ্ধার করা হয়।

জনসংযোগ কর্মকর্তা
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

চট্টগ্রাম।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*