সংবাদ শিরোনামঃ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অল্প বৃষ্টি হলেও চলাচলের জন্য সৃষ্টি হয় মহা সংকট।

মোঃ মনজুর আলম চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রতিনিধি :

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক হচ্ছে অন্যতম একটি।এসড়ক দিয়ে বান্দরবন পার্বত্য অঞ্চল ও কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দেশি-বিদেশী পর্যটকদের যাতায়াত।প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক এসড়ক দিয়ে যাতায়াতের সময় বিড়ম্বনার স্বীকার হয়।তাদের সাথে নতুনভাবে যোগ হয়েছে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট। সবমিলিয়ে এসড়ক এখন আন্তর্জাতিক সড়কে রুপান্তরিত হলেও সেভাবে কোন ব্যবস্থা নেই।এসড়কে দুর্ঘটনাতো লেগেই আছে। কিন্তু অল্প বৃষ্টি হলেই যাত্রী ও যানচলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।সারা বছর সড়ক ও জনপথ বিভাগ তালি জোড়া দিয়ে কোন রকম যাতায়তের ব্যবস্থা করলেও বৃষ্টি হলেই ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচল ও যাত্রীদের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এবারের তেতলির প্রভাবে একটানা চারদিনের বৃষ্টিতে খুটাখালী বাস ষ্টেশনসহ এসড়কের বিভিন্ন জায়গায় পিচের কোন চিহ্ন নেই! টানা বৃষ্টির কারণে সড়কটি কাদা পানিতে একাকার হয়ে গেছে। সড়েকের গর্তে পানি জমে দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।সড়ক দিয়ে খুব ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। পাতর ও খোয়া উঠে বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ছোট-বড় এসব গর্তে বৃষ্টি হলেই জমে পানি। রোদ উঠলে সড়কে ধুলা উড়ে। ফলে সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। প্রায় বৃষ্টি হলেই এ মহাসড়কের বেহালদশা লেগেই চলছে। চট্রগ্রাম- কক্সবাজারের মধ্যে চলাচলকারী মহাসড়ক এটি। চট্টগ্রাম বাস ষ্টেশন থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গিয়ে ছোট বড় অনেক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। চকরিয়া,লোহাগাড়া,সাতকানিয়ার, চন্দনাইশ, পটিয়া অংশেও ছোট বড় বিভিন্ন গর্ত সৃষ্টি হয়ে যান চলাচল ও যাত্রীদের যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে গেছে। জাবেদ নামের এক ট্রাক চালক বলেন,চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে গাড়ি নিয়ে আসলে ভয় হয়।রাত্রে ব্যাথা নাশক ঔষধ সেবন করে ঘুমাতে হয়। আজিজ নগর মহাসড়কের পাশে কামাল নামের দোকানদার এক ব্যবসায়ী জানান, বৃষ্টি হলে রাস্তা কাদা পানিতে ভরে যায়। চলাচল করা যায় না। ছোট ছোট গর্তে যানবাহনের চাকা পড়ে উল্টে যায়। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। রাস্তার ধুলায় ব্যবসা প্রতিষ্টানে বসা কষ্টকর হয়ে পড়ে। পটিয়ার জাহাঙ্গির নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, রোদ হলেতো বাস ষ্টেশন এলাকায় ধুলায় একাকার হয়ে যায়। এ মহাসড়ক দিয়ে ঘন্টায় ১০০টির বেশি গাড়ি চলাচল করে। একটি গাড়ি যাওয়ার পরেই পেছনে ধুলায় আর কিছু দেখা যায় না। যত্রতত্র গর্তের ফলে প্রায়ই মুখোমুখি যানবাহনের সংঘর্ষ ঘটে। চন্দনাইশের জামিজুরির রাশেদা নামের এক ছাত্রী জানান, এই সড়কের পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের জামা কাপড় কাদা পানি ও ধুলায় নষ্ট হয়ে যায়। বার আওলিয়া ডিগ্রি কলেজের রহিম নামের এক ছাত্র বলেন, মহাসড়কের গর্তের কাদা পানির কারণে খুব কষ্টে আছি। কলেজ ড্রেস ও শরীর মুখমন্ডল কাদা পানিতে একাকার হয়ে যায়। এব্যাপারে কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এর নির্বাহী প্রকৌশলীরা বলেন, এই সড়কটির সরকার সবসময় সংস্কার করে আসছে। অতিরিক্ত ওজন যানবাহন চলাচলের ফলে সড়কটি বারবার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। এব্যাপারে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*