চট্রগ্রাম-৮ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী নিয়ে নানাসমিকরণ।

কে হচ্ছে নৌকার মাঝি সময়ের অপেক্ষায়। চট্রগ্রামা- ৮ আসনের এবারের নির্বাচনে নৌকার নমিনেশন কে পাচ্ছে তা নিয়ে নানা সমিকরণ যুক্ত হচ্ছে। যে প্রার্থী কিংবা তার সমর্থকদের সাথে এ বিষয়ে আলাপ করলে বুঝা যায়, যার সাথে আলাপ হয় তার কথানুসারে বুঝা যায় তিনিই নমিনেশন পাবেন।এ আসনে এবার প্রার্থীর সংখ্যা বেশী। যার কারণে নেত্রীকে আসনটি নিয়ে মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। সব প্রার্থীরা ইতিমধ্যে গণভবনে বছর দুয়েক ধরে জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছে। নেত্রীর কাছে যারা গেছে প্রত্যেক প্রার্থীকে নেত্রী তৃণমুলে কাজ করার আদেশ দিয়েছে। ইতিমধ্যে যারা তদবির করেছেন, তাদের মধ্যে চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিন আহমদ,চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ থেকে সিডিএ চেয়ারম্যান এম,এ সালাম ও তার ভাই নুরুল ইসলাম নুরু, চট্রগ্রাম মহানগরী আওয়ামীলীগের যুগ্নসম্পাদক রেজাউল করিম, চৌধুরী, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বি এস সি ও তার ছেলে মুজিবুর রহমান, চট্রগ্রাম দক্তিণ জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল কাদের সুজন।সুজন নেত্রীর ১৫০ জন সাবেক ছাত্রনেতাদের নমিনেশন দেওয়ার ঘোষণা কথাটি বিবেচনা করে জোর লবিং চালাচ্ছে।মহাজোটর শরীক হিসাবে বর্তমান সংসদসদস্য আলহাজ্ব মাঈন উদ্দিন খান বাদলও হাল ছাড়তে নারাজ।তিনি দাবি করেন, যদি জোটগত ইলেকশন হয় তাহলে জোটের শরীক হিসাবে তিনিই দাবিদার। অপরদিকে স্হানীয় আওয়ামীলীগের একটি অংশ তিনি বিগত দুইবার প্রার্থী হওয়ায় এবার তাকে মানতে নারাজ।সব মিলিয়ে প্রার্থী নির্ধারণের বিষয়টি জটিল হয়ে উঠছে এ আসনে।যতক্ষণ নমিনেশন নিয়ে এলাকায় আসবেনা ততক্ষণ কিছু বলা মশকিল।তবে সব প্রার্থীর একটি কথা নেত্রী যাকে মূল্যায়ন করবে তার জন্য সবাই কাজ করবে।

About Jisan Ali

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*