সংবাদ শিরোনামঃ

আর্থিক ক্ষতির মূখে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা।

প্রবাসী প্রতিনিধি, জসীম ঊদ্দীন

প্রতিবছর রেমিটেন্সের একটি বিশাল অংশ যোগ হয় এই সৌদিআরব থেকে। যদি সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা নিজেদের স্ব-স্ব উদ্যেগে গড়ে উঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা হারায়, এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা প্রবাসী বাংলাদেশীরা চাকরিচ্যুত হয়, সে ক্ষেত্রে রেমিটেন্স ক্ষাতে অচিরেই ধস নেমে আসবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই কথাটি নিশ্চিত ভাবেই বলা যাই। উল্লেখ্য, আগামী পহেলা মহরম থেকে সৌদিআরবে প্রবাসীদের ১২ প্রতিষ্ঠানের মালিকানা এবং কাজ করার ক্ষেত্র নিষিদ্ধ করেছেন সৌদি কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়ে সময় থাকতে যদি বাংলাদেশ সরকার সু-দৃষ্টি না দেয়, তাহলে সৌদি প্রবাসীর প্রায় ব্যবসায়ী ও কর্মজীবীরা বাংলাদেশে আসা ছাড়া আর উপাই থাকবেনা। নতুন নতুন আইনের বেড়া জালে দুচিন্তাই রাতে টিক মত ঘুমাতে পারেনা।বর্ধিত আকামা ফি,বেকাতবিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্টানে সৌদি নিয়োগ বাধ্যতা মুলক।মালামাল ক্রয় বিক্রয়ে ভ্যাট প্রধান।সব কিছু মিলে প্রবাসীদের রাতে ঘুমের পাশে দুচোখে জল আসে।বোবা কান্নায় পারিবারিক চিন্তা নিজেদের ভবিশ্যত চিন্তাই আত্নহারা। অনেক উপায় না পেয়ে গলায় রশি দিয়ে মৃত্যুর কোলে ডলে পড়ছে। তাই প্রবাসীদের কল্যাণ ও দেশের রেমিটেন্স রক্ষার্থে উল্লেখযোগ্য ভূমিখা সরকারের কাছে আশা বিবেচনা করে সাধ্য মত পদক্ষেপ নেবার আশাই বুক বেধে আছে।

About Asgor Ali Manik

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*