সংবাদ শিরোনামঃ

বিউটি প্যাজেন্ট এমআইকিউ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মেয়ে অনন্যা সুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিশ্ব জয়…

অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি সাউথ এশিয়া অস্ট্রেলেসিয়ান বিউটি প্যাজেন্ট এমআইকিউ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার আপ হলেন বাংলাদেশের অনন্যা চক্রবর্তী। সোমবার এ বছর আয়োজিত প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়। এবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ভারতের রিচা দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন ভারতের রুচি বানধারি।

চ্যাম্পিয়ন রিচা দুধানি পুরস্কার হিসেবে ক্রাউন ও ট্রফি ছাড়াও মেলবোর্নের ডিপিটিভি চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠান করার সুযোগ পেয়েছেন। প্রথম ও দ্বিতীয় রানার আপ ক্রাউন ও ট্রফি ছাড়াও পেয়েছেন বিশেষ উপহার। ছয় বছর ধরে এই প্রতিযোগিতা হচ্ছে। এবার সুন্দরী এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে বিচারকরা ১৫ জন ফাইনালিস্ট নির্বাচন করেন।

প্রথম রানার আপ হয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের অনন্যা চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে আমার সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার ইচ্ছে ছিল। এবার স্বপ্ন পূরণ হলো। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে পেরেছি। এ জন্য অনেক গর্বিত আমি। ভবিষ্যতে গান, নাচ, অভিনয় নিয়ে আমি এগিয়ে যেতে চাই। এ ছাড়া সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও নিজেকে জড়ানোর ইচ্ছে আমার রয়েছে।

অনন্যা চক্রবর্তী আরো বলেন, প্রথম রানার আপ হওয়া আমার জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রতিযোগিতার ১৫ জন ফাইনালিস্টের মধ্যে আমি একাই বাংলাদেশি ছিলাম। একজন শ্রীলংকান,একজন পাকিস্তানি, একজন আফগানিস্তানি এবং বাকি ১১ জন ভারতের ছিলেন। আমাদের মূল প্রতিযোগিতায় তিনটা রাউন্ডে লড়তে হয়েছিল। প্রথম রাউন্ডে আমাদের নিজের ও দেশ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে। এরপর নাচ ও গান যে যেটাতে পারদর্শী সেটা করে দেখাতে হয়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডে র‍্যাম্পে হাঁটার পাশাপাশি সাঁতারের প্রতিযোগিতা হয়েছিল এবং তৃতীয় রাউন্ডে বিচারকরা কিছু প্রশ্ন করেন এবং তাঁদের দেওয়া নম্বর অনুযায়ী বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে পাঁচজন বিচারক ছিলেন। তাঁরা প্রত্যেকেই ভারতীয় ছিলেন।

এবারের সুন্দরী প্রতিযোগিতার ইভেন্ট আয়োজক ছিলেন অনামিকা স্বরূপ শ্রীবাস্তব। তিনি নিজেও সাউথ এশিয়া অস্ট্রেলাসিয়ান সুন্দরী প্রতিযোগিতায় এমআইকিউর একজন চ্যাম্পিয়ন।

About Jesmin Nahar

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*